ল্যাপ নৃত্য বিকৃত যৌন নৃত্য


ল্যাপ নৃত্য (বা ঘেষা নাচ) স্ট্রিপ ক্লাবে দেওয়া ইরোটিক ( যৌন উত্তেজনাকর) এক প্রকারের নাচ যেখানে বসে থাকা একজন খরিদ্দার এর শরীরের সাথে ঘেষে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে একজন নর্তকী বা পতিতা।

ক্লাব এর নীতি আইন এর উপর নির্ভর করে নর্তকী নগ্ন, অনাবৃতপ্রায় বা স্বল্প পরিহিত পোশাক পরে থাকতে পারে।

১৯৭০ এর দশকে, নিউ ইয়র্কের মেলডি থিয়েটার দর্শকদের অংশগ্রহণে প্রথম সূচনা হয় এবং এটি "মারদি গ্রাস" নামে পরিচিত।

এছাড়াও ১৯৭০-এর দশকে প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র নির্মাতা জিম এবং আর্টি মিচেল সানফ্রান্সিসকোতে তাদের চলচ্চিত্রগুলি সমন্বিত করার জন্য ও'ফারেল থিয়েটার নামক একটি প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমা ঘর চালাচ্ছিল।  কিন্তু ৭০ এর দশকের দ্বিতীয়ার্ধে, ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার আবিষ্কার এবং ভিডিও ক্যাসেট ভাড়ার দোকানে প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র থিয়েটারগুলির চাহিদা হ্রাস পেতে শুরু করে।

তাদের বিল্ডিংয়ের জন্য তাদের নতুন ব্যবসায়িক মডেলের প্রয়োজন ছিল তা বুঝতে পেরে, মিচেল ভাইরা যৌন ক্লাবে ক্লায়েন্ট-যোগাযোগ শোগুলি অন্বেষণ করার জন্য সারা দেশে ভিনস স্ট্যানইচ নামক ম্যানেজার পাঠিয়েছিল।  স্ট্যানইচ ফিরে আসার পর মিচেল ভাইরা ১৯৭৭ সালে তাদের ওফারেল থিয়েটারে তিনটি নতুন কক্ষ খোলার মাধ্যমে নগ্ন অনুষ্ঠান শুরু করে।  অনুষ্ঠানগুলিতে এক ছোট্ট ঘরে প্রায় ২০ জন পুরুষের সাথে নগ্ন মহিলাদের প্রদর্শন করা হত। পরবর্তিতে ক্লাব আকারে এ নগ্নতার আরো বিস্তার ঘটে।

যার আধুনিক রুপ স্ট্রিপ ক্লাব। আর এসকল ষ্ট্রিপ ক্লাবেই হয় ল্যাপ ডান্স নামক অশ্লীল নৃত্য। ইউরোপ-আমেরিকার স্ট্রিপ ক্লাবের কদর দিনে দিনে বাড়ছে। নারীকে পন্য হিসেবে উপস্থাপন করা এবং বিকৃত যৌন কার্যকলাপ করাই যার মূল লক্ষ্য ।

পশ্চিমা সংস্কৃতি মানেই নগ্নতা, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা আর ব্যবিচারের সংস্কৃতি যা তাদের দেশের জন্য মানানসই।

কিন্তু মুসলিম দেশে ল্যাপ ডান্স নামক অপসংস্কৃতি কিছুতেই মেনে  নেওয়া যায়না।আধুনিকতার দোহাই দিয়ে এবং বিভিন্ন উপলক্ষ্য করে যারা অশ্লীল সংস্কৃতি আমদানী করছে তাদের উদ্যেশ্য ভালো নয়।

তারা চায় পশ্চিমা নগ্নতার অপসংস্কৃতির মত মুসলিম দেশও নগ্নতায় ঢুবে যাক। যার অন্যতম হোতা হল IMUN। কথিত মডেল জাতিসঙ্ঘের আড়ালে IMUN মার্চ ১-৩, ২০১৯ ইং তারিখে ঢাকার গলফ ক্লাবে যা করেছে তা তাদের পরিকল্পনারই অংশ। 
  
মুসলিম দেশে যা মেনে নেওয়া যায়না।
মুসলমানদের প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।
যারা এ অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
সাথে সাথে IMUN এর সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে।




শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট