রোজাবস্থায় যেভাবে পুরন পানির চাহিদা


নাস্তিকেরা রোজা রাখা নিয়ে অপপ্রচার করে যে দীর্ঘ সময় নাকি পানি গ্রহন না করার কারনে রোজাদার ব্যক্তির নাকি ক্ষতি হয়! নাউযুবিল্লাহ । ধারনাটা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল ।

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক শরীরে পানি আছে প্রায় ৬০%। উদাহারনস্বরুপ একজন ৭০ কেজি ওজনের ব্যক্তির পানি থাকে ৪২ লিটার , তার মধ্যে ১৪ লিটার Extra cellular Fluid ( ECF ) থাকে ( ১১ লিটার interistitial fluid যা সেল গুলোর ফাকে ফাকে থাকে, আর ৩ লিটার প্লাজমা) ।

রোজা রেখে  শরীরের ফ্লুইড লস কতটুকু হয়? সাধারন অবস্থায় মাত্র- চামড়া: ৩৫০ , ফুসফুস : ৩৫০, ঘাম : ১০০ , মল : ১০০, পেশাব : ১৪০০ মিলি ওয়াটার লস হয় ( গরমে –ঘামে বাড়তে পারে)। যার মধ্যে মেটাবলিজম থেকে ২০০-৩০০ মিলি পাওয়া যাচ্ছে ।

আর রোজা রাখলে কিডনি নিজেই Obligatory Urine Volume 500 ml এ নামিয়ে নিয়ে আসে। তাতে করে শরীরের ফ্লুইড টার্নওভার হয় মাত্র ১০০০ মিলি । আর যদি ঘাম না আসে তাহলে সেই পরিমাপ কমে আসে ৮০০ মিলিতে ।

এই ৮০০ মিলি শরীরের প্লাজমা থেকে বের হয়ে যায় । আর ইন্টারস্টিশিয়াল ফ্লুইড ১১ লিটার থেকে সেই ৮০০ মিলি পানি পূরণ হয়ে যায় । যার ফলে ফ্লুইডের ন্যাচারাল ব্যালেন্স হয়ে যায় ।

আর রোজা রেখে যদি শরীরে পানি কিছু অভাব হয়েই যায় সেটার জন্য - Renal-body fluid feedback mechanism, Renin-angiotensin mechanism, Sympathetic nervous system তো পড়েই আছে , যা  ঘাটতি পূরণ করে নিবে , শুধু বাদ থাকল Thirst mechanism , সেটা তো ইফতারে খেয়েই পুরন হয়ে যাচ্ছে


শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট