বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনে যাকাত দেওয়া যাবেনা



বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নামক চটকদার ১ টাকায় আহারের প্রচারনাকারীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে যাকাত দেওয়ার প্রচার করছে।

এই এনজিওটি আসলে দুই হিন্দু ব্যক্তির। একজনের নাম কিশোর কুমার দাস, অন্যজন শিপ্রা দাস। তারা মুসলিম বাচ্চাদের কথা বলে মুসলমানদের কাছ থেকে যাকাত সংগ্রহ করছে।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা কিশোর কুমার দাস আর শিপ্রা দাস নামক দুই ভাই বোন। নিরাভিষভোজি বৈষ্ণব হিন্দু, মন্দিরে মন্দিরে কীর্তনও শুনে নিয়মিত।

তারা মুসলমানের দেওয়া টাকাতেই হিন্দুদের দূর্গা পূজা উপলক্ষে মন্দিরের দর্শণার্থীদের জিলাপি-নিমকি বিতরন করেছে ।

তার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যানন্দ তাদের পেজে অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিতে যেয়ে নির্লজ্জভাবে হিন্দুদের পুজায় সাহায্যের পক্ষে সাফাই গায়।

এমনকি হিন্দুদের পুজোয় সাহায্য দেওয়াকে জায়েয করার জন্য মুসলমান নামধারী ২-১ জনের কথাও উল্লেখ করে।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কিশোর কুমার দাশ। ডিসেম্বর ২২,২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠা করে বিদ্যানন্দ ।তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। কিন্তু বেড়ে উঠেছে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট খেজুরতলা এলাকায়। বর্তমানে গুগল ক্লাউড ওয়্যার ৩৬০-এর কমার্শিয়াল ডিরেক্টর।

পেরুতে একটি হোটেলও রয়েছে তার। বিদ্যানন্দের সঙ্গে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন নামের আরেক প্রতিষ্ঠানও এক হয়ে কাজ করছে।
অর্থ আসে কোথা থেকে?
১. দাতাদের অর্থায়ন।
২. স্বেচ্ছায় সহায়তা।
৩. বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা আদায় করছে ।

ইতিমধ্যে এতিমখানা বানানোর জন্য কক্সবাজারের রামুতে ১৮ শতক যায়গা পেয়েছে। যদিও বলা হচ্ছে এতিমখানা, কিন্তু বাস্তবে সেটা উপজাতি গোষ্ঠীর অনাথালয়। কিছুদিন আগে একটা ক্যাডেট কলেজ থেকে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা এসেছে। চাটার্ড একাউন্টেন্টদের সংগঠন থেকে দেয়া হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা।

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে ১ টাকায় আহার আর গরিবদের সাহায্যের নাম দিয়ে তারা মুসলমানদের অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু মাত্র নিজের খরছে এসকল দেওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। তার মানে এই অল্প খরচের চমক দেখিয়ে মিডিয়ায় হাইলাইট হয়ে ফান্ড ফুলে ফেঁপে উঠানোই তাদের মুল লক্ষ্য। ইহুদিরা এমন পলিসি করেই নামে বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা মুসলমানদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে।

মুসলমানদের এ সকল ষড়যন্ত্র অনুধাবন করতে হবে।
যতই মুসলিম বাচ্চাদের নাম প্রকাশ করুক অথবা কমিটি করুক, যেহেতু সংগঠনটি দুই হিন্দুর, সুতরাং শরীয়ত অনুযায়ী হিন্দুর তত্ত্বাবধানে যাকাত দিলে কিছুতেই যাকাত আদায় হবে না।


শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট