গরু কুরবানী নিষিদ্ধ করেছিলো রবিন্দ্র


সন্ত্রাসী শিবাজি যখন সম্পদ সংগ্রহ করতো তখন ভারতীয় দস্যু ও লুটেরার মতো নির্মম ও পৈশাচিক রূপ ধারণ করতো। কিন্তু ব্রাহ্মণদের প্রচুর পারিতোষিক প্রদানের ফলে এক গরু রক্ষা করার দরুন এই দস্যুই শেষ পর্যন্ত দেবতা হয়ে গেল।

গো-ব্রাহ্মণ প্রতিপালকশিবাজি একটি গরুর জন্য কয়েকশত মুসলমানকে হত্যা করতো। মুসলমানদের জন্য ত্রাস ছিল এই শিবাজি। অবিভক্ত বাংলায় মুসলমান নিধনের জন্য শিবাজি উৎসব প্রবর্তিত হয়।

রবীন্দ্র ঠগ এই মারাঠী সন্ত্রাসী শিবাজি বন্দনায় মেতে উঠেছিল। শুধু তাই নয়, ‘গো-ব্রাহ্মণ প্রতিপালকশিবাজির প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রমাণের উদ্দেশ্যে রবি ঠগের জমিদারীতে গরু কুরবানী নিষিদ্ধ করেছিলো।

একটি ভারতীয় দৈনিকের ২৮ মে ১৯৯০ সংখ্যায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয় উদ্ধৃতি: কিন্তু শিলাইদহ জমিদারী এলাকায় যেখানে প্রায় সকল রায়তই ছিলেন মুসলমান, সেখানে গরু কুরবানী নিষিদ্ধ করা কিংবা একতরফাভাবে খাজনা বাড়িয়ে মুসলিম প্রজাদের প্রতিরোধের মুখে আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের শায়েস্তা করার জন্য তাদের গ্রামে হিন্দু (নমশূদ্র) প্রজাপত্তন করার ঘটনা নিশ্চয়ই কোনো উদার অসাম্প্রদায়িকতার প্রমাণ বহন করে না।

বাংলা একাডেমীর ত্রৈমাসিক উত্তরাধিকারপত্রিকায় (বৈশাখ-আষাঢ় ১৩৯৩) প্রকাশিত রবিন্দ্রোত্তর তৃতীয় প্রজন্মে রবীন্দ্র মূল্যায়ননামে একটি প্রবন্ধে বামপন্থী ডক্টর আহমদ শরীফ দালিলিক প্রমাণসহ এইরূপ আরো অনেক ঘটনার বিবরণ দিয়েছে। (তথ্য সূত্র: ওবায়দুল হক সরকার, মাসিক সফর, ঈদুল আজহা সংখ্যা, ১৯৯৪)

রবীন্দ্র ঠগ গরু কুরবানী নিষিদ্ধ করেছিল অথচ দেবী কাত্যায়নীর পূজা উপলক্ষে পনের দিনব্যাপী লাঠি খেলা ও যাত্রাভিনয়ের ব্যবস্থা করেছিল। এই পূজার ব্যয়ভার হিন্দু মুসলমান সব প্রজাকে বহন করতে হতো। পনের দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে যে বাড়তি খরচ হতো, সে জন্য সে একতরফাভাবে খাজনা বাড়িয়ে দিয়েছিল। ( ইতিহাসের নিরিখে রবিন্দ্র নজরুল চরিত , সরকার সাহাবুদ্দিন আহমদ , পৃ ৩০৩ )

রবীন্দ্র ঠগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মুসলিমবিদ্বেষ ও হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তিকে চাঙ্গা করার জন্য অনেক গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, কবিতা রচনা করেছে। রবীন্দ্র ঠগের লেখনি তার সমকালীন হিন্দুদেরকে চরম মুসলিমবিদ্বেষী হতে উৎসাহিত করেছিল।

সাম্প্রদায়িক রবিন্দ্র ঠগ কতৃক মুসলমানদের অন্যতম ইবাদত গরু কুরবানীকে নিষিদ্ধ করার পরেও মুসলমান এই মালউনের নাম উচ্চারন ,লিখনী পড়ে কি করে ?

যে রবীন্দ্র ঠগ তার জমীদারিতে মুসলমানদের গরু কুরবানী নিষিদ্ধ করেছিলো , সে রবীন্দ্র ঠগকে মুসলিম এই দেশে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক ।


শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট