১৪ বছর বয়সে অবৈধ সম্পর্ক করার অনুমতি পেলে,বিয়ে নয় কেন?


Age of consent বাংলায় অনুবাদ করলে হয় সম্মতির বয়স

Age of consent এর ব্যবহারিক অর্থ যে নূন্যতম বয়সে একজন নাগরিকের নিজ ইচ্ছায় যৌন কার্যকলাপে অংশগ্রহণকরাকে রাষ্ট্র বৈধ বলে গণ্য করে।

বাংলাদেশের আইন অনুসারে একজন নাগরিকের (পুরুষ অথবা নারী) Age of consent হচ্ছে ১৪ বছর। অর্থাৎ বাংলাদেশের আইন অনুসারে একজন পুরুষ অথবা নারী ১৪ বছর বয়সে নিজ ইচ্ছায় যে কোন ধরনের যৌন কার্যকলাপে অংশ নিলে রাষ্ট্র তাকে বৈধ বলে গন্য করবে।

বিভিন্ন দেশের Age of consent বিভিন্ন রকম। যেমন: অস্ট্রিয়াতে ১৪, জার্মানিতে ১৪, কিউবাতে ১৬, ইতালিতে ১৪, জাপানে ১৩, ফিলিপাইনে ১২ । অবশ্য বিভিন্ন ইসলামী রাষ্ট্রগুলোতে (যেমন : সৌদি আরব, মালদ্বীপ, কুয়েত, ইরান, ওমান, পাকিস্তান) Age of consent এর জন্য বয়স নির্ধারণ করা হয় নাই, ‘বিয়েকে আবশ্যক শর্ত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশে বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম। বাংলাদেশে বিয়ে নয়, ১৪ বছর বয়সকে Age of consent ধরা হয়েছে।
(বিস্তারিত: https://www.ageofconsent.net/world)

তবে আরো কঠিন বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশে Age of consent ১৪ হলেও, বিয়ের আইনত বৈধ বয়স করা হয়েছে নারীর ক্ষেত্রে ১৮, পুরুষের ক্ষেত্রে ২১ বছর বয়সকে। অর্থাৎ একজন নারী-পুরুষ ১৪ বছর বয়সে নিজ সম্মতিতে বিপরীত লিঙ্গের সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হলে বাংলাদেশের আইন তাকে বৈধহিসেবে স্বীকৃতি দিবে, কিন্তু ১৮ বছরের নিচে কোন নারী কিংবা ২১ বছরের নিচে কোন পুরুষ বৈধভাবে বিয়ে করলে রাষ্ট্র তাকে অবৈধবলবে এবং দণ্ড প্রদান করবে। নাউযুবিল্লাহ

তার মানে রাষ্ট্রই আজ দেশকে পাপাচারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ।
রাষ্ট্র বৈধ বিয়েকে কঠিন করে অবৈধ সম্পর্কের দিকে ধাবিত করছে।
যার কারনে ১৪ বছরের কোন মেয়ে বিয়ে করলে প্রশাসন উড়ে গিয়ে বন্ধ করে। কিন্তু ১৪ বছরের মেয়ে পতিতাবৃত্তি করলে তার অনুমোদন দেয়!!!


শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট